পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ। এর ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতভর এই মহাসড়কে দেখা গেছে তীব্র যানজট। যদিও বুধবার (৪ জুন) সকাল থেকে কোথাও কোথাও হালকা যানজট থাকলেও বেশিরভাগ এলাকায় যান চলাচল ছিল ধীরগতির।
বুধবার সকালে চট্টগ্রামগামী লেনে মুন্সিগঞ্জের ভবেরচর এলাকায় কিছুটা যানজট সৃষ্টি হয়। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত। হাইওয়ে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর তৎপরতায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে যান চলাচল।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। ভোর ৪টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনা সেতু থেকে মুন্সিগঞ্জের ভবেরচর পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। সকাল ৮টার দিকে এই যানজটের পরিধি বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২৯ কিলোমিটারে। তবে এরপর থেকেই ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। সকাল ১০টার দিকে যানজট কমে আসে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটারে।
এদিকে, বুধবার সকাল থেকে কুমিল্লা অংশে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সড়ক ভিজে যায় এবং গাড়ি চালাতে হচ্ছে ধীরে। এর ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও গতি কিছুটা কম।
সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও তেমন যানজট দেখা যায়নি। তবে টোলপ্লাজাগুলোতে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, “মহাসড়কের কুমিল্লা অংশ যানজটমুক্ত রাখতে হাইওয়ে পুলিশ ছাড়াও থানা পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে কুমিল্লার অংশে কোনো যানজট নেই।”
মন্তব্য করুন