যেসব শ্রমিক ওপরের তলা থেকে লাফিয়ে নিচে পড়েছিলেন তারা বেঁচে গেছেন। তবে তাদের হাত, পা, বুকের পাঁজর ও কোমড়সহ শরীরের বিভিন্ন হাড় ভেঙে যায়। আগুনের সে ভয়ঙ্কর আতঙ্ক আজও তাদের তাড়া করে।
ঘটনার ১৩ বছর পরও হতাহতদের মেলেনি ক্ষতিপূরণ ও সুচিকিৎসা। উন্নত চিকিৎসা না হওয়ায় অনেকেই ফিরতে পারেননি স্বাভাবিক জীবনে। অনেকে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দীর্ঘ এ সময়ে নিজেদের অধিকার বঞ্চিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ আহতরা। হতাহতদের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও দোষীদের শাস্তির দাবি শ্রমিক নেতাদের।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের আইন বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ, সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই। এ ছাড়া এ ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে যেনো শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন