azharul islam
১৩ মার্চ ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ৩৬ জন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মচারী জালাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর ও রাকিবুল সিন্ডিকেট গড়ে দুর্নীতি ও অপকর্মের মাধ্যমে গড়েছেন অঢেল সম্পদ!

তাদের কাছে ডাক্তার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জিম্মি!

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মরত আছেন সৈয়দ জালাল উদ্দিন প্রধান অফিস সহকারী। তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বদলি সংক্রান্ত শাখায় দায়িত্ব পালন করছেন। তার সিন্ডিকেট হিসেবে কাজ করেন অফিস সহকারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ মান্নাফ ও অফিস সহায়ক রাকিবুল হাসান রাকিব । বর্তমানে তারা ওই অফিসে কর্মরত রয়েছেন । জালালউদ্দিনের মিরপুর ৬০ ফিট এলাকায় দুইটি বিল্ডিংয়ে চারটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন । এবং তৃতীয় সংসার নিয়ে সেখানেই বসবাস করছেন। তার সিন্ডিকেটের সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর একই এলাকায় তিনটি বিল্ডিংয়ে পাঁচটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। এ ছাড়া মান্নাফ মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে জমি কিনেছেন তারা। জালাল উদ্দিন বরিশাল সদর রুপাতলী এলাকায় একাধিক জমি ক্রয় করেছেন। জাহাঙ্গীরও তার নিজ এলাকায় অঢেল সম্পদ গড়েছেন। তাদের সূত্র ধরে রাকিবুল হাসান রাকিব ও মন্নাফ নিজ গ্রামে এবং রাজধানী সহ বিভিন্ন এলাকায় অঢেল সম্পদ গড়েছেন । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাকরির সুবাদে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে তারা আজকে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এমনকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আরো অনেকেই অবৈধভাবে উপার্জন করে হোটেল সম্পদ গড়ে তুলেছেন । তারা মনে করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরটি টাকার খনি। চাকরি দেওয়া ও বদলি বাণিজ্য সহ বিভিন্ন কাজকর্ম মাধ্যমে অবৈধভাবে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন ওই সিন্ডিকেটটি। চাকরির শুরু থেকে এই পর্যন্ত তারা নিজ এলাকায় সহ বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে চাকরি দিয়েছেন । সেই সিন্ডিকেটটি এখনো বহাল তরিয়তে অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নিয়ন্ত্রণ করছেন । ওই সিন্ডিকেটটি ড্রাইভার আব্দুল মালেক ও কবির চৌধুরী সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে ছিলেন । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দ জালাল উদ্দিন প্রথম বঙ্গভবনে ঝাড়ুদার হিসেবে চাকরি নেন। দীর্ঘদিন সেখানে চাকরি করার পর তদবিরের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পিয়ন হিসেবে যোগদান করেন। পর্যায়ক্রমে পদোন্নতি পেয়ে এখন তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করছেন। নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অবৈধভাবে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। এমনকি একই ডিপার্টমেন্টের দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত চাকরিতে রয়েছেন। সেই সুবাদ একের পর এক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুর্নীতি ও অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পরিচালক, উপ পরিচালক, প্রশাসনিক পরিচালক সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরকে ম্যানেজ করেই তারা একের পর এক দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কাছে সাধারণ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ডাক্তাররা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। জালাল উদ্দিন ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর এ পর্যন্ত তো অধিদপ্তরের আন্ডারে বিভিন্ন জেলার ও ঢাকায় শতাধিক লোকের চাকরি দিয়েছেন মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ।

সরকারি চাকরিকে পুঁজি বানিয়ে তারা অবৈধভাবে দুর্নীতি ও অপকর্মের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে । ডাক্তার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাধিক অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসনিক বিভাগে কর্মরত থাকার কারণে তারা বিভিন্ন ধরনের ফাইল আটকিয়ে ও বিভিন্ন ধরনের তদবির, ফাইল বাণিজ্যসহ অবৈধ কর্মকাণ্ডে মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন দিদাচ্ছে। অভিযোগে জানা গেছে আরো, একই জায়গায় প্রায় ২২ থেকে ২৫ বছর যাবত চাকরির সুবাদে একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন
তারা । বিভিন্ন ধরনের ফাইল গ্রহীতারা তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। মোটা অংকের অর্থ বিনিময়ে ফাইলের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যায়। আর যদি অর্থ না দেয়া হয় দিনের পর দিন ও মাসের পর মাস তাদেরকে ঘুরতে হয়।
এই সুযোগে জালাল উদ্দিন , মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ মোন্নাফ ও রাকিবুল হাসান রাকিব তাদের সিন্ডিকেটের সদস্য দিয়ে ফাইল গ্রহীতাদেরকে সুকৌশলে বিভিন্ন ধরনের ওজুহাত দেখিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে ডাক্তার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অভিযোগ করে বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রতিটি বিভাগে দুর্নীতি ও অপকর্ম ভড়া । তাদের মধ্যে জালাল উদ্দিন ও রাকিবুল হাসান বেশিরভাগই দুর্নীতি ও অপকর্মের সাথে জড়িত রয়েছে । তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করার মত সাহস পাননি সাধারণ ডাক্তার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ।
তাদের দুর্নীতি ও অপকর্মের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করে দিনের পর দিন মাসের পর মাস বছরের পর বছর শুধু দেখেই যাচ্ছেন। এর কোন প্রতিকার করছেন না এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না । তাদের এই অপকর্ম দেখার কেউ নেই ? অভিযোগ করে আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরকে ম্যানেজ করে তারা দুইজন তাদের অপকর্ম কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন ।
সৈয়দ জালাল উদ্দিন বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার মোহাম্মদ আরজ আলীর ছেলে তিনি। তার টিআইএন নং-৩৫৯২৭৯৯৬৯৬৫৪,কর সার্কেল ০০৭ অঞ্চল-বরিশাল।
অপরদিকে রাকিবুল হাসান ঢাকা সাভার আড়াপাড়া জাহের উদ্দিনের ছেলে তিনি। তার টিআইএন নং-২৪৯১৮৯৫১৩৪৮৮, কর সার্কেল-৮২, কর অঞ্চল-০৪ ।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জালাল উদ্দিন, অফিস সহকারী (১৩তম গ্রেড), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দীর্ঘদিনের একজন কর্মচারী কর্মরত আছেন। বর্তমানে তিনি প্রধান অফিস সহকারী। তিনি কর্মজীবন শুরু করেন ঝাড়ুদার পদে এবং পরবর্তীতে অফিস সহায়ক পদে চাকরি পান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে । পরে আবার পদোন্নতি লাভ করেন অফিস সহকারী। বর্তমানে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বদলি সংক্রান্ত শাখায় দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ হয়েছে। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কর্মরত থাকায় তিনি নিজেকে প্রভাবশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আলোচিত ঠিকাদার মিঠুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে বদলি বাণিজ্য, টেন্ডার কারসাজি ও ঘুষের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারা দুইজন একক ভাবে এমপি ও মন্ত্রীদের সহযোগিতায় একের পর এক তাদের দুর্নীতি ও অপকর্ম কর্মকান্ড চালিয়েছেন এমনকি এখনো তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে তারা আওয়ামী লীগের অর্থ যুগানদাতা হিসেবে গোপনে কাজ করে যাচ্ছেন ।আরও জানা গেছে,
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গ্রেফতারকৃত ড্রাইভার আব্দুল মালেকের সাথেও গোপন সখ্যতা ছিল তাদের। তারা যৌথভাবে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠন করে বদলি বাণিজ্য টেন্ডার কারসাজি এমনকি এমবিবিএস পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসের সাথেও জড়িত ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও সিন্ডিকেটের কিছু সদস্য গ্রেফতার হয়েছে, তবুও জালাল উদ্দিন ও রাকিব এখনো প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে অনেক নিরীহ স্বাস্থ্যকর্মী , ডাক্তার । তাদের কাছে ডাক্তার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া আরো অনুসন্ধানে জানা গেছে,
১৩তম গ্রেডের একজন কর্মচারী হিসেবে জালালের মাসিক বেতন সর্বোচ্চ ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে। কিন্তুু তিনি তার ছেলেকে শ্যামলীর সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চিকিৎসাবিদ্যা অধ্যয়নের সুযোগ করে দিয়েছেন। তার নামে ও বেনামে বিপুল সম্পদ এবং অনৈতিক আয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অপরদিকে, রাকিবুল হাসান ১৬তম গ্রেডের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত। তিনি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। একই জেলার (মানিকগঞ্জ) হওয়ায় তিনি মন্ত্রীর প্রভাব
খাটিয়ে নানা অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য ও বদলির কারসাজিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় গঠিত সিন্ডিকেটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে তিনি এখনও সক্রিয় রয়েছেন। সিন্ডিকেটের মূল হোতা জালাল উদ্দিন ও রাকিবুল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মীদের কাছ থেকে ঘুষ আদায়ে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। ঘুষ না দিলে তারা সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ফাইলে নেতিবাচক নোট লিখে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট উপস্থাপন করেন না । কিংবা দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখেন। অপরদিতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘুষ প্রদান করলে, তাদের বদলির আদেশের ফাইল দ্রুত করার বাবস্থা করেদেন। বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই সিন্ডিকেটের প্রভাবলয়ে জিম্মি অবস্থায় রয়েছে ভুক্তভোগীরা।
সিন্ডিকেটের কিছু সদস্য গ্রেফতার হলেও জালাল ও রাকিবুল এখনো প্রভাবশালী অবস্থানে থেকে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন। এর ফলে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ জনগণ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমনকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। চলতি বছরের গত ২৬ নভেম্বর মোবারক হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে সচিবের বরাবর লিখিতভাবে জালাল উদ্দিন ও রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি -অপকর্মের সম্পর্কে অভিযোগ দাখিল করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এসব তথ্যগুলো পাওয়া গেছে।
উল্লিখিত,
তথ্যের ভিত্তিতে স্পষ্ট যে, জালাল উদ্দিন ও রাকিবুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য, বদলি কারসাজি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে। এদের কর্মকাণ্ড স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে।এ সকল টাকা-পয়সা ও অবৈধ সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করার জন্য সাংবাদিকগণ অনুসন্ধান শুরু করলে তারা দুইজন গুন্ডা মাস্তানদের মাধ্যমে সাংবাদিকদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি এমনকি হত্যার হুমকি দিয়ে তাদের অবৈধ সম্পদ রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
তাদের নামে ও বেনামে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উৎস নির্ধারণে অধিকতর তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে যৌথ তদন্ত করলে আরো অসংখ্য অবৈধ সম্পদ পাওয়া যাবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বদলি ও প্রশাসনিক শাখায় তাদের সকল কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি স্থাপন করা আবশ্যক বলে অভিযোগকারীর মন্তব্য।
তাদের সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্য, যোগাযোগের মাধ্যম ও অর্থনৈতিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক ট্র্যাক করতে এনটিএমসি (NTMC) ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ প্রযুক্তি নজরদারি করার জন্য অনুরোধ করেন অভিযোগকারী। তাদের দুইজনের উত্থাপিত অভিযোগ সমূহ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ (suspension/transfer) গ্রহণ করে অদূর ভবিষ্যতে দুর্নীতি বিরোধী শক্তিশালী অভিযান পরিচালনা করলে তাদের অবৈধ কমকান্ড অবৈধ সম্পদ সহ যাবতীয় প্রকার বিষয়ে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
মূল্যায়ন: জনস্বার্থে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সেবার মান উন্নয়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উক্ত সিন্ডিকেটের মূল হোতা জালাল উদ্দিন ও রাকিবুলের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন অভিযোগকারী।
তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।সৈয়দ জালাল উদ্দিনের বাবার নাম-সৈয়দ আরজ আলী, তার স্ত্রীর নাম -সালমা বেগম, জালাল উদ্দিনের জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৫০৬০৩৭২৫৯৫, তার টিআইএন নং-৩৫৯২৭৯৯৬৯৬৫৪ , কর সার্কেল-০০৭, কর অঞ্চল-বরিশাল। গ্রাম: দক্ষিণকালী হাতা, ডাকঘর-বামরাইল, ডাকঘর-বামরাইল, উপজেলা-উজিরপুর, জেলা-বরিশাল। রাকিবুল হাসানের জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৬৩৯০৮৪৬২৫, তার টিআইএন নং-২৪৯১৮৯৫১৩৪৮৮, কর সার্কেল-৮২, কর অঞ্চল-০৪, ঢাকা। তার ঠিকানা-০১, গ্রাম: আরাপাড়া, ডাকঘর: সাভার, উপজেলা-সাভার, ঢাকা-১৩৪০। স্থায়ী ঠিকানা-০২, গ্রাম: চরকাটারী শিকদার পাড়া, ডাকঘর: চরকাটারী, উপজেলা: দৌলতপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ। তার বাবার নাম – মোহাম্মদ জহির উদ্দিন । এ ব্যাপারে জালাল উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এইসব কিছু ঠিক নয় আমার বিরুদ্ধে অপর প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে কিছু সংখ্যক লোক। অপরদিকে রাকিবুল হাসান সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করে বার বার কেটে দেন । মো. মুরাদ হোসেনের অভিযোগে আরো অনেক কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো পরবর্তী সংবাদ প্রকাশে মাধ্যমে জানতে পারবেন।অভিযোগকারী মন্তব্য
উভয়ের সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল আর্থিক লেনদেন (bKash, Nagad, Rocket ইত্যাদি) তলব করে আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (FIU) দ্বারা তদন্ত করা হলে তাদের বিরুদ্ধে অনেক কিছু দুর্নীতি ও অপকর্মের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।

Facebook Comments Box

No tags found for this post.

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি স্থগিত করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী

জুলাই-আগস্টেই গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন হবে : তথ্যমন্ত্রী

রাজধানীতে মাথাবিহীন ৭ খণ্ড মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩

ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ডুয়েটে ব্লকেড কর্মসূচি, মূল ফটকে তালা

রাতভর উত্তেজনা, চট্টগ্রাম নগরীতে মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ

বেস্ট ডমেস্টিক এয়ারলাইন্স পুরস্কার পেল ইউএস-বাংলা

ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষে*ধাজ্ঞা চেয়ে রিট

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দণ্ডিত বেরোবির সাবেক ভিসি কারাগারে

বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে দুবাই

১০

জামায়াত আমির পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের ঘোষণায় সরকারকে সাধুবাদ জানালেন

১১

ও কিছু বলে না কেন, আমার কি কিছু হচ্ছে না: তারিক আনাম

১২

জনশক্তি ব্যুরো’র পরিচালকের অঢেল সম্পদ অর্জন!

১৩

আপনাদের শক্তি হচ্ছে আমাদের শক্তি : তারেক রহমান

১৪

নতুন হামলার মধ্যেও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত ইসরাইল ও লেবানন

১৫

দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা; ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা

১৬

দোহার নির্বাচন অফিসের সেই রাত: অপারেটর জামাল ধরা পড়লেও আড়ালে ছিলেন কে?

১৭

হজ্জে বসির, অভিযোগের ফাইল ঘিরে রহস্য! উত্তরা সার্কেল-৩

১৮

দেশের তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস

১৯

লাল বাতি জ্বললেই ব্রেক, মিলতে শুরু করেছে সুফল

২০